দেশের সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল এবং ডেন্টাল কলেজে ভর্তি আবেদন শুরু হয়েছে মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর)। আবেদন শুরুর মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ৫০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী আবেদন সম্পন্ন করেছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি সূত্র।
বুধবার সকাল ১০টার হিসাব অনুযায়ী, ৫৩ হাজার ৪৭৮ জন প্রার্থী ইতোমধ্যেই আবেদন করেছেন। অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, “প্রথম কয়েকদিন আবেদন জমার হার বেশি থাকে, পরে তা কিছুটা কমে আসে।”
এবারের ভর্তি পরীক্ষার অনলাইন আবেদন চলবে ২১ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। আবেদন ফি জমা দেওয়া যাবে ২২ নভেম্বর রাত পর্যন্ত। ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ ডিসেম্বর (শুক্রবার) সকাল ১০টা থেকে ১১টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত। এবারের পরীক্ষায় ৭২২টি আসন কমানো হয়েছে।
👉 যোগ্যতা:
প্রার্থীদের ২০২৪ বা ২০২৫ সালে এইচএসসি ও ২০২২ সালের পর এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে উত্তীর্ণ হতে হবে। দুই পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৮.৫০ এবং কোনো পরীক্ষায় জিপিএ ৪.০০-এর নিচে হলে আবেদন করা যাবে না। উপজাতীয় ও পার্বত্য এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য মোট জিপিএ ৮.০০ এবং এককভাবে ন্যূনতম ৩.৫০ থাকতে হবে। জীববিজ্ঞানে কমপক্ষে ৩.৫০ না থাকলে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।
👉 পরীক্ষা পদ্ধতি:
এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা একই দিনে, একই প্রশ্নপত্রে অনুষ্ঠিত হবে। ১০০ নম্বরের এমসিকিউ প্রশ্নে থাকবে—
জীববিজ্ঞান ৩০, রসায়ন ২৫, পদার্থবিজ্ঞান ১৫, ইংরেজি ১৫ এবং সাধারণ জ্ঞান ১৫ নম্বর।
প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা হবে। সময় ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট, পাশ নম্বর ৪০।
👉 মেধা নির্ধারণ:
লিখিত পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে এসএসসি ও এইচএসসি ফল মিলিয়ে মোট ১০০ নম্বরের মেধা তালিকা প্রস্তুত হবে। গতবার ভর্তি হওয়া প্রার্থীদের ৫ নম্বর এবং ২০২৪ সালের পরীক্ষার্থীদের ৩ নম্বর কমানো হবে।
👉 আসন পরিবর্তন:
প্রথম সারির আট মেডিকেল কলেজে ২৫টি করে আসন কমানো হয়েছে, যার ফলে প্রতিটি কলেজে আসন দাঁড়িয়েছে ২২৫। অন্যদিকে গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও পটুয়াখালী মেডিকেলে আসন বেড়েছে।
সরকার আশা করছে, ডিজিটাল আবেদন প্রক্রিয়া ও কেন্দ্রীয় মেধা তালিকার মাধ্যমে ভর্তি প্রক্রিয়া এবার আরও স্বচ্ছ ও দ্রুত সম্পন্ন হবে।
/এমএস